সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ডানপিটে।

সত্যি করে বলোত শুনি হয়েছে তোমার কি?
মা বকেছে, জ্বর হয়েছে, নাকি হয়েছে সর্দি?

লিখতে আমার ভাল্লাগেনা, পরতেও যে মন চায় না।
তারপরও চোখ রাঙিয়ে বলে সবাই "পড়তে যাও"।

স্কুলেতে টিচার বকে, টিপ্পনী দেয় ছাত্ররা,
আমার মত গাধা ছাত্র, অপদার্থ আরেকটা নাকি হয় না!

তাইতো আমার স্কুলে যেতে ভাল্লাগেনা আর,
স্কুলের নামে বেরিয়ে আমি হই যে পগার পার।

স্কুলের গাছের আম পেড়ে খাই, সাথীদের গাছেও ঢিল মারি,
সালুদের খেজুর রস নিয়ে যাই, আখের ক্ষেতে মোছ করি!

লিপিদের খোঁয়াড়ে মুরগি হাওয়া, রাজুদের গয়ালে নেই গরু।
এসব নিয়ে ছন্নছাড়া কয়েক কিশোরের দিন শুরু!

মায়ের কাছে ওরা সবাই আমার নামে করেছে নালিশ
ভয়ে মোর এখন ওষ্ঠাগত প্রান হবো যে ভীষণ পালিশ। :(

তারিখঃ ২১-১০-২০০৮

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে

চাঁদ নাকি হয়েছে পবিত্র দেখে তোর মুখ আর কলংক নাকি খুঁজে আতেল কবি রাত্রিতে নিশ্চুপ। আস্তিকতার ভুল বিশ্বাসে তুই যে কোটি হৃদয়ে তুই ছাড়া যে জাতি অচল কেন যাবি তুই অসময়ে। মূর্খ জ্ঞানীর পকেট ভারী তুই সাধু তাই প্রমানে আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে। বারিদ কান্তার ১৮-০৯-২০১৪

শহরের সব পথ গেছে কবরের দিকে।

শহরের সব পথ গেছে কবরের দিকে। মূর্খদের অযাচিত স্বপ্নের ফসল এই কিম্ভূতকিমাকার আড়ষ্টতা। তবুও মাঝে মাঝে বাতিঘর থেকে প্রত্যাশার পেন্ডুলাম দুলতে দেখা যায়। বিশ্বাসের পারদ শূন্যে নেমে গেলে আত্মাহুতির শপথ করে সম্পর্ক। নির্বিকার মূর্খরা অযাচিত স্বপ্নের চাষ করে যায় দিবারাত্রি। তবুও মাঝে মাঝে মননের টুংটাং শব্দে ঘুম ভাঙ্গে আস্থার।  এ শহর আত্মভোলাদের জন্যে নয় তাই নসীব দ্বারা পিষ্ট হয়ে পড়ে থাকে যত্রতত্র বেওয়ারিশ। সামিয়ানা টাঁনিয়ে মূর্খরা ধান্দার জিকির তুলে আর ভারী করে ইহজাগতিক আপনা কোষাগার। তবুও মাঝে মাঝে সময়ের সাথে তাল মেলানো পথিক বিপ্লবী শপথে দাড়িয়ে যায় নিজ তাগিদে। ১৭/০৮/২০১৮

মার বদি আলম

বাজার খাইসে কর্পোরেট আর মনন খাইসে মিডিয়া গুটি ধরাইয়া জোয়ানের হাতে ঘুম পাড়াইসো মাথা গুনিয়া। গনতন্ত্রের মন্ত্র শিখাইসো শিখাইসো যোগব্যাম বিপ্লবের কথায় ডরায় জাতি তাই আস্থার নাম এখানে "মঘাশ্যাম"। জাতি বেহুঁশ ফুঁকিয়ে হতাশা হাতাইয়া লইতেসে সব ফড়িয়া কম্পিটিশন শেষ করিতে দেখো বাবা বদি কত্ত মরিয়া। ২৫/০৫/২০১৮