সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভাবনার মুখোমুখি

গৌধুলির আভা দিগন্তে বিলীন হল সোনালী রঙ ছড়াতে ছড়াতে।

বিস্তীর্ণ সবুজের এপারে দাড়িয়ে পথিক সূর্যাস্ত দেখে ভাবনার শীষে দোল খায়, 
আর ভাবে।

ভাবতে বসে সগৌরভে নিজের সৌন্দর্য জাহির কারা ফুল সৌরভ ছড়ানো ভুলে গিয়ে।
পাখিরাও নীরব, ভাবতে বসে সেও
কেন এই কিচির মিচির সুরেলা স্বরে ডাকাডাকি?

লজ্জাবতীর পাতা চুইয়ে পড়তে থাকা সচ্ছ শিশির বিন্দু, সেও ভাবে
কেনইবা এখানে এলাম, আবার কেনইবা ঝড়ে পড়া, চলে যাওয়া?

অবিনশ্বর হওয়ার মন্ত্র নিয়ে যে অশথ বৃক্ষটি মাটি ফুড়ে নিজের অস্তিত্ব জানান দেয়
এমন ভাবনা তাকেও তাড়িত করে।
কেন এই জীবন? কেনইবা এত সংগ্রাম?

জীবন সত্য, জন্ম, বেঁচে থাকা? নাকি প্রস্থান, মৃত্যু কিংবা চলে যাওয়া?


০২-০২-২০১৫ 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে

চাঁদ নাকি হয়েছে পবিত্র দেখে তোর মুখ আর কলংক নাকি খুঁজে আতেল কবি রাত্রিতে নিশ্চুপ। আস্তিকতার ভুল বিশ্বাসে তুই যে কোটি হৃদয়ে তুই ছাড়া যে জাতি অচল কেন যাবি তুই অসময়ে। মূর্খ জ্ঞানীর পকেট ভারী তুই সাধু তাই প্রমানে আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে। বারিদ কান্তার ১৮-০৯-২০১৪

বোঝাপড়া

ঝড়ের বেগ বেড়েই চলেছে স্পিত হয়ে আসছে জীবনের মানে। খরতাপ, রৌদ্র উপেক্ষা করেও একসময় প্রচণ্ড বেগে এগিয়ে চলতে ভালবাসতাম। আর এখন সামান্য বাতাসেই নেতিয়ে পড়া লতা-পাতাদের মতো অবস্থা। ডাল-পালারাও সঙ্গ ছেড়েছে সেই কবেই। পাখি-কিংবা ছোট কীট সেও বুঝে গেছে আমার আবেদন কতটুকু। তকদিরের সাথে বোঝাপড়ার দিন বোধয় চলেই এসেছে। আগন্তকের মতো আচরন পেয়েছি সবার কাছ থেকে। বিব্রত হচ্ছি যত্রতত্র আর বয়ে চলছি ক্ষু রাধার তীক্ষ্ণ কথার বান নিয়ে। বিবেকের সাথে যুদ্ধ করেও বুঝি আর পার পাওয়া গেলো না। ©বারিদ কান্তার ১৯-০৯-২০১৪

মানবিক-২

কতো শিশু আজ পথ হারিয়ে করে আহাজারি, কতো অসহায় ছন্নছাড়া আজ, হাতে নেই কানাকড়ি। দিন চলে তার অনাহারে আর রাত কাটে পথে ঘুরে। কখনোবা সে বিষে নীল হয় নেশারই কামড়ে। ছেঁড়া জামায় কালো শরীর যেন নর কঙ্কাল। স্বপ্ন দেখার সাধ্য নেই বল কবে হবে রঙ্গিন সকাল? হাড্ডিসার দেহ তার ঘুরে মানুষের দাঁরে দাঁরে, আমরাও যদি মুখ ফিরিয়ে নিই, তারা তবে যাবে কার তরে? তাই হয়েছি আমারা একাত্মা আর রেখেছি হাতে হাত দেখিনা আমারা কতটুকু পারি রাঙ্গাতে নতুন প্রভাত। তারিখঃ ০১-০৯-২০১৩ ১০.১০