সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গুণীর জন্ম লাঞ্ছনার আর অপবাদের

গুণীর জন্ম কেন হলো এমন এক দেশে?
যে দেশে তার পরিচয়টা লাঞ্ছনার আর অপবাদের।

এ দেশে মুক্তিযোদ্ধারা আজো বেঁচে আছে জীবন কে করে ফেরি,
ভিক্ষার থালা হাতে পরে আছে পথে দেখো কতো বিরঙ্গনা নারী,
অথবা করছে দেখো কার বাসায় ঝি-চাকরের চাকুরী।

দেশের জন্যে স্বর্ণ আর সুনাম জয়ী আদর্শ তোমরা
আর কখনো দেশের হয়ে খেলতে নামবে কিনা জানিনা,
কেনইবা খেলতে নামবে বলো?
বদৌলতে তোমরা যদি পাও অসভ্য লাঠিপেটা।

শুনেছি দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিতেজ্য
কিন্তু অভাগা দেশটার ক্ষেত্রে উল্টোটাই যেন সত্য।
মূর্খ জাতি বুঝে না বুঝে জুড়ে দেয় বিতর্ক
শিক্ষিত জনে সম্মান জানাতে কেন তুমি এতোখানি বিব্রত ও সতর্ক?

ধর্ম ধোঁয়ার দোষে বিভক্ত জাতি
রক্তাক্তও হয় মাঝে মাঝে সোনার মাটি।
সুইস ব্যাংকে টাকা জমানোর নিয়তেই
কেন করছো রাজনীতি?

এমন যদি হয় জাতি হিসাবে তোমার
কি পরিচয় বাকি রয়?
ভেবে দেখবার অনুরোধ করি
সবিনয় অনুরোধেই যদি কিছু হয়।

০১-০৮-২০১৪
     

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে

চাঁদ নাকি হয়েছে পবিত্র দেখে তোর মুখ আর কলংক নাকি খুঁজে আতেল কবি রাত্রিতে নিশ্চুপ। আস্তিকতার ভুল বিশ্বাসে তুই যে কোটি হৃদয়ে তুই ছাড়া যে জাতি অচল কেন যাবি তুই অসময়ে। মূর্খ জ্ঞানীর পকেট ভারী তুই সাধু তাই প্রমানে আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে। বারিদ কান্তার ১৮-০৯-২০১৪

বোঝাপড়া

ঝড়ের বেগ বেড়েই চলেছে স্পিত হয়ে আসছে জীবনের মানে। খরতাপ, রৌদ্র উপেক্ষা করেও একসময় প্রচণ্ড বেগে এগিয়ে চলতে ভালবাসতাম। আর এখন সামান্য বাতাসেই নেতিয়ে পড়া লতা-পাতাদের মতো অবস্থা। ডাল-পালারাও সঙ্গ ছেড়েছে সেই কবেই। পাখি-কিংবা ছোট কীট সেও বুঝে গেছে আমার আবেদন কতটুকু। তকদিরের সাথে বোঝাপড়ার দিন বোধয় চলেই এসেছে। আগন্তকের মতো আচরন পেয়েছি সবার কাছ থেকে। বিব্রত হচ্ছি যত্রতত্র আর বয়ে চলছি ক্ষু রাধার তীক্ষ্ণ কথার বান নিয়ে। বিবেকের সাথে যুদ্ধ করেও বুঝি আর পার পাওয়া গেলো না। ©বারিদ কান্তার ১৯-০৯-২০১৪

মানবিক-২

কতো শিশু আজ পথ হারিয়ে করে আহাজারি, কতো অসহায় ছন্নছাড়া আজ, হাতে নেই কানাকড়ি। দিন চলে তার অনাহারে আর রাত কাটে পথে ঘুরে। কখনোবা সে বিষে নীল হয় নেশারই কামড়ে। ছেঁড়া জামায় কালো শরীর যেন নর কঙ্কাল। স্বপ্ন দেখার সাধ্য নেই বল কবে হবে রঙ্গিন সকাল? হাড্ডিসার দেহ তার ঘুরে মানুষের দাঁরে দাঁরে, আমরাও যদি মুখ ফিরিয়ে নিই, তারা তবে যাবে কার তরে? তাই হয়েছি আমারা একাত্মা আর রেখেছি হাতে হাত দেখিনা আমারা কতটুকু পারি রাঙ্গাতে নতুন প্রভাত। তারিখঃ ০১-০৯-২০১৩ ১০.১০