সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাভার ট্র্যাজেডি

ব্যাথাতুর ভারাক্রান্ত মনে শুধু অনুভব করি!
ন্যূনতম ভাষা নেই সান্ত্বনা জানাবার :( :(

দেশের নাগরিক হিসেবে এ মৃত্যুর জন্নে দায়ী আমি নিজেই।

কিছুই কি করার ছিলনা ঘটনার পূর্বে?

এত গুলো প্রান কেন পৃষ্ঠ হল?

আমিই দায়ী এসবের জন্নে।
 কেন আমি জন্মালাম এমন দেশে???????

যে দেশে নিশ্ছিন্তে মৃত্যুরও নিশ্চয়তা নেই।

ভুখা মানুষের মিছিলে নব্য সম্রাজ্জবাদিদের মত কিভাবে পারলাম গুলি চালাতে???????

কথায় গিয়ে মানুষ গুলো জীবনের নিশ্চয়তা পাবে?

এক একটা পরিবার নিঃস্ব হল তাদের শেষ উপার্জনক্ষম মানুষটাকে হারিয়ে।
এসব পরিবারের ভবিষ্যৎ কি?

এসবের জন্নে দায়ী আমিই।
কেন জন্মালাম এমন দেশে?

আর যারা এই ভয়াবহ উদাসীনতার নির্মম শিকারে বিকলাঙ্গ বা পঙ্গুত্ব বরন করেছে,
যারা ছিল সংসারের একমাত্র উপার্জনকারি সে যদি  অ েন্যার বোঝা হয় তবে তাদের উপায় কি?

আমরা নব্য সম্রাজ্জবাদিরা কি এর ক্ষতিপূরণ করতে পারবো?

শুধু মনের বেথাতুর আকুতি দিয়ে তোদের সমবেদনা জানান ছাড়া আমার যে আর কিছুই করার নেই :(

ইতিহাসের নির্মম তম দুর্ঘটনা নিয়েও আমারা রাজনীতি করি।
আমাদের মত নির্লজ্জ বেহায়া বুঝি কেউ নেই এই পৃথিবীতে।

এর জন্নে দায়ী আমি নিজেই
কেন জন্মালাম এমন দেশে?

এত মানুষের বিন্দু বিন্দু ঘামে যে শিল্প প্রতিষ্ঠিত বিশ্ব দরবারে,
সেই শিল্পের জন্নে মূল্য দিতে হল তাজা প্রান দিয়ে!!!!!!!!

যে দেশের মুনাফা যদি মানুষের জীবনের চেয়ে মূল্যবান হয়
এমন  দেশের অধিকার আমি চাই না...

এর জন্নে দায়ী আমি নিজেই
কেন জন্মালাম এমন দেশে?

মাঝে মাঝে দুঃখ হয়! স্বাধীনতার এত বছর কাটল
অথচ আজো আমরা আমাদের মৌলিক চাহিদাগুলো শতভাগ অর্জন করতে পারলাম না !!!!!!!!

এর জন্নে দায়ী আমি নিজেই
কেন জন্মালাম এমন দেশে?

কতটা নির্লজ্জ আর আত্মকেন্দ্রিক হলে এমন নির্মম সব কাণ্ড করা যায়?????

সব কিছুর জন্নে দায়ী আমিই

আমিই বুঝি অভাগা দেশটার জন্নে কিছুই করতে পারলাম না!!!!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে

চাঁদ নাকি হয়েছে পবিত্র দেখে তোর মুখ আর কলংক নাকি খুঁজে আতেল কবি রাত্রিতে নিশ্চুপ। আস্তিকতার ভুল বিশ্বাসে তুই যে কোটি হৃদয়ে তুই ছাড়া যে জাতি অচল কেন যাবি তুই অসময়ে। মূর্খ জ্ঞানীর পকেট ভারী তুই সাধু তাই প্রমানে আজব বাঙ্গালীর অদ্ভুত খেয়াল সেজদা ঠুকিবে তুই মরিলে। বারিদ কান্তার ১৮-০৯-২০১৪

বোঝাপড়া

ঝড়ের বেগ বেড়েই চলেছে স্পিত হয়ে আসছে জীবনের মানে। খরতাপ, রৌদ্র উপেক্ষা করেও একসময় প্রচণ্ড বেগে এগিয়ে চলতে ভালবাসতাম। আর এখন সামান্য বাতাসেই নেতিয়ে পড়া লতা-পাতাদের মতো অবস্থা। ডাল-পালারাও সঙ্গ ছেড়েছে সেই কবেই। পাখি-কিংবা ছোট কীট সেও বুঝে গেছে আমার আবেদন কতটুকু। তকদিরের সাথে বোঝাপড়ার দিন বোধয় চলেই এসেছে। আগন্তকের মতো আচরন পেয়েছি সবার কাছ থেকে। বিব্রত হচ্ছি যত্রতত্র আর বয়ে চলছি ক্ষু রাধার তীক্ষ্ণ কথার বান নিয়ে। বিবেকের সাথে যুদ্ধ করেও বুঝি আর পার পাওয়া গেলো না। ©বারিদ কান্তার ১৯-০৯-২০১৪

মানবিক-২

কতো শিশু আজ পথ হারিয়ে করে আহাজারি, কতো অসহায় ছন্নছাড়া আজ, হাতে নেই কানাকড়ি। দিন চলে তার অনাহারে আর রাত কাটে পথে ঘুরে। কখনোবা সে বিষে নীল হয় নেশারই কামড়ে। ছেঁড়া জামায় কালো শরীর যেন নর কঙ্কাল। স্বপ্ন দেখার সাধ্য নেই বল কবে হবে রঙ্গিন সকাল? হাড্ডিসার দেহ তার ঘুরে মানুষের দাঁরে দাঁরে, আমরাও যদি মুখ ফিরিয়ে নিই, তারা তবে যাবে কার তরে? তাই হয়েছি আমারা একাত্মা আর রেখেছি হাতে হাত দেখিনা আমারা কতটুকু পারি রাঙ্গাতে নতুন প্রভাত। তারিখঃ ০১-০৯-২০১৩ ১০.১০